সিএনএনের বিশ্লেষণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পিছু হটবে না ইরান, নেপথ্যে কী

Last Updated: September 6, 2026By

ওমানের মুসান্দাম থেকে দেখা যাচ্ছে হরমুজ প্রণালির কাছে জাহাজের আনাগোনা। ৩১ আগস্ট ২০২৬ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এক মাস ধরে থেমে থাকা সংঘাতের অবসান ঘটেছে। চলতি সপ্তাহে দুই পক্ষ আবার পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়েছে। এতে পুরো অঞ্চল আবারও এক বিপজ্জনক ও দীর্ঘ মেয়াদে সামরিক অচলাবস্থায় পড়েছে।

মার্কিন বাহিনী গত মঙ্গলবার ইরানে আবার হামলা চালায়। জবাবে তেহরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানে। ইরান পাল্টাহামলা চালালে ‘আরও কঠোর আঘাত’ করা হবে বলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন। তবে তেহরান সেই হুঁশিয়ারি তোয়াক্কা করেনি।

সর্বশেষ এ হামলার এক মাসের বেশি আগে দুই পক্ষ পরস্পরের ওপর নতুন করে ব্যাপক আক্রমণ চালায়। তবে সাম্প্রতিকতম হামলা ছিল বেশ সীমিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, কোনো পক্ষই এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহী নয়।

ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার ইরান শাখার সাবেক প্রধান ড্যানি সিতরিনোভিচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এখন পর্যন্ত দুই পক্ষই বেসামরিক নাগরিক বা জ্বালানি অবকাঠামোর চেয়ে সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালাচ্ছে। শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের হুমকি সত্ত্বেও তেহরান সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর নতুন করে হামলা শুরু করেনি।’

ট্রাম্পের বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথার বাইরে ইরান যুদ্ধের আর্থিক ধাক্কা এখন সাধারণ মার্কিন নাগরিকেরা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। এ যুদ্ধ নিয়ে জনগণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুলাই পর্যন্ত এ যুদ্ধে ওয়াশিংটনের প্রায় ৪ হাজার কোটি ডলার খরচ হয়েছে।
এরপরও বর্তমান পরিস্থিতি খুব বিপজ্জনক। এখানে যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি রয়েছে। ফলে উভয় পক্ষ আবারও সর্বাত্মক সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের (আইসিজি) ইরানবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক হামিদরেজা আজিজি সিএনএনের বেকি অ্যান্ডারসনকে বলেন, ‘কোনো পক্ষই সর্বাত্মক যুদ্ধে ফিরতে চায় না।’ তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের বাধার সৃষ্টি ও দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ—উভয় পক্ষের জন্যই ক্রমশ অসহনীয় হয়ে উঠছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে মোটেও আগ্রহী নন। ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যদি কোনো অর্থহীন চুক্তি সই করে, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।’ তিনি আরও

Mail Icon

news via inbox

Nulla turp dis cursus. Integer liberos  euismod pretium faucibua

Leave A Comment